ডেভিড হিউম ছিলেন একজন Empiricist, অর্থাৎ অভিজ্ঞতাবাদী। তাঁর মত অনুযায়ী, যা কিছু সংজ্ঞা অনুযায়ী সত্য নয়, বা ইন্দ্রিয় দিয়ে অনুভব করা যায় না, তা অবশ্যই মিথ্যা। এই কারণেই ঈশ্বরের অস্তিত্বের আইডিয়াও মিথ্যা।
তিনি যেহেতু ক্যাথলিক ধর্মের ছিলেন, তাই মনে হলো এর সাথে এই লাইনটা যোগ করলে ভালো হবে। ‘যিশু আল্লাহর নবি। আল্লাহর কোনো সন্তান থাকতে পারে না।’ কী মনে করে তিনি এই কথাটা বলতে গিয়ে থেমে গেলেন। চোখ নামিয়ে ফেললেন...
"এই আয়াতে আল্লাহ তা’আলা আমাদের একটি সাধারণ উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়েছেন যে, তিনি মানুষকে কত সামান্য জিনিস দিয়ে তৈরী করেছেন এবং তিনি তাকে পুনরায় তৈরী করতেও সক্ষম। তুমি এখান থেকে বৈজ্ঞানিক ভুল ধরেছো, তাই আমি এটাকে বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যাখ্যা করলাম।"
আমাদেরকে আল্লাহ্ এত সম্মান ও অধিকার দেবার পরেও, সমাজে সঠিক ইসলাম চর্চা না হবার কারণে নারীরা প্রতি পদে পদে অনবরত ধাক্কা খাচ্ছে, বঞ্চিত হচ্ছে ... আমরা আমাদের ধর্ম ও ধর্মে প্রদত্ত অধিকারের ব্যাপারে শিক্ষিত হই না বলেই আমাদের ওপর এত নির্যাতন করা সম্ভব হচ্ছে।
আল্লাহ যদি মানুষকে ঘুমন্ত অবস্থায় পার্শ্ব পরিবর্তন না করাতেন? এই জিনিসটি যদি মানুষের ঐচ্ছিক হতো? মানুষ যদি একপাশ হয়ে অনেকক্ষণ শুয়ে থাকে তাহলে তার ওই পাশের কোষগুলো নষ্ট হয়ে যাবে!
কবিরাহ গুনাহ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় সম্পর্কে জানতে চেয়ে ইমাম ইবন কায়্যিম আল-জাওযিয়্যাহকে জনৈক ব্যক্তি চিঠি পাঠান। সেই চিঠির উত্তরে তিনি আল-জাওয়াব আল-কাফি নামে বিখ্যাত লেখাটি রচনা করেন। পাপের অশুভ পরিণতি সম্পর্কে এখানে আলোচনা করা হয়েছে।
স্যার, তাকদির তথা ভাগ্যটাও ঠিক এরকম। আপনি যেমন আমাদের মেধা, যোগ্যতা, ক্ষমতা সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখেন, স্রষ্টাও তেমনি তাঁর সৃষ্টি সম্পর্কে ধারণা রাখেন। আপনার ধারণা মাঝে মাঝে ভুল হতে পারে, কিন্তু স্রষ্টার ধারণায় কোনো ভুল নেই।