সমাজ

রুধিরবরণা প্রাণঝরণা

ঋতুবতী নারীদের ইসলাম না-কি অবজ্ঞার চোখে দেখেছে! আমরা জানি না, এ কথাটা নাস্তিকরা কোন দলীলের ভিত্তিতে বলে। সেদিন এক স্বঘোষিত নাস্তিকের বই, আরেকদিন ওদের ব্লগেও এমন একটা লেখা নজরে পড়লো। ঋতুবতী নারীদের সম্পর্কে ইসলামের বিধান কি সত্যিই অমানবিক – যেমনটা নাস্তিকরা প্রচার করে থাকে? চলুন জেনে নিই।

প্রেমই কি সব? দয়া-মায়া বলে কিছু কি থাকতে নেই?

এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চাইছিলো। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহু) তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “কেন তুমি তোমার স্ত্রীকে তালাক দিতে চাও?” সে জবাব দিলো, “আমি তাকে ভালোবাসি না।” উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহু) বললেন, “সকল পরিবারের ভিত্তি কি শুধুই ভালোবাসা? যত্ন-আত্তি আর শিষ্টাচার বলে কি কিছু নেই?”

নেশার লাটিম ঝিম ধরার কারণ, কুফল ও করণীয়

যে যুবকেরা দেশের ভবিষ্যতের মশালবাহী, সেই যুবকেরাই মাদক দ্বারা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত। মাদকের প্রভাব আমাদের শারীরিক, মানসিক, পারিবারিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি অর্থনীতিকে করে তুলছে বিপর্যস্ত। দ্রুত যদি এর প্রতিরোধ না করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে আমরা একটি কলুষিত সমাজ দেখতে পাবো।

জমিয়ে তোলা সেই আড্ডাটা : একটু ভেবে দেখবো কি?

আড্ডা বলতে সাধারণত আমরা বুঝি যেখানে কয়েকজন সমবয়সী কিংবা সমমনা মিলে স্বাধীনভাবে নিজেদের মনের ভাব প্রকাশ করে থাকে। অর্থাৎ, কোনো নির্দিষ্ট কিংবা অনির্দিষ্ট বিষয়ে মন যা চায় তা-ই বলে। আর যখনই এই আড্ডা কিংবা গল্পের আসরের কোনো সীমারেখা নির্ধারণ করা হয় না, তখনই তা শয়তানের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

ইসলামের দৃষ্টিতে নবজাতকের অধিকার

দশ মাস দশ দিন অধীর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নবজাতকের আগমনে খুশির হিল্লোল বয়ে যায় প্রতিটি পরিবারে। কিন্তু অধিকাংশ মুসলিম পিতা-মাতাই জানেন না ইসলাম নবজাতকের জন্য কী কী অধিকার সুনিশ্চিত করেছে। বরং দেখা যায় অনেক অভিভাবক নবজাতককে কেন্দ্র করে অজ্ঞতাবশত বিভিন্ন বিদ‘আতি ও শির্কি কাজে লিপ্ত হয়ে পড়েন।

ভালোবাসার নামে ধর্মকে বিকৃত করেছিলো যে

অনেকের মতে, পৃথিবীর ইতিহাসে মানুষ ভালোবাসাকে যতভাবে সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা করেছে তার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ সংজ্ঞাটি দিয়েছে সেইন্ট পল। যিশুর শিক্ষার বিপরীত হওয়ার পরও মানুষ পলের অদ্ভুত থিওলজি গ্রহণ করেছিলো। কারণ পল তার ভণ্ডামিকে ভালোবাসার চাদর পরিয়েছিলো। বর্তমান পৃথিবীতে প্রায় ২২০ কোটি মানুষ তার অনুসারী। তাদেরকে ‘খ্রিষ্টান’ বলা হয়।

হ্যামিলিনের ইঁদুর: যীশুর জন্ম, না সূর্য দেবতার জন্ম?

খ্রিষ্টীয় প্রথম শতকে খোদ চার্চগুলোই জেসাস ক্রাইস্টের জন্মদিন পালন করতো না। চার্চ আসলে কারও জন্মদিন পালন করার জন্যই উৎসাহ দিতো না।

চাপা স্বভাবের কর্মোদ্যমী

চাপা স্বভাবের মানুষদের গতানুগতিক বিভিন্ন লেবেল সেঁটে দেওয়ায় প্রায়শই তারা নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হয় ... সমাজে এদেরকে খাটো করে দেখার প্রবণতা দেখা যায়।

নারীর উপর শারিরীক ও মানসিক নির্যাতনের কারণ ও প্রতিকারের পথ

বিজ্ঞজনেরা সর্বদা বলতে চান, 'প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার অভাব' ও 'দারিদ্র্য' হলো নারী নির্যাতনের পেছনের মুখ্য নিয়ামক। আসলেই কি এই দুটো কারণেই নারীরা এত লাঞ্ছিত হচ্ছে?

রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং

মুসলিম সমাজ কেমন হবে, কার ভূমিকা কী হবে এটা নিয়ে আমরা নানা মত দেখে থাকি। বিষয়টা একটু নেড়েচেড়ে দেখা যাক।