ইসলাম

সালাত কি সত্যিই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?

আপনি যখন বলেন, 'কালকে থেকে সালাত পড়বো,' তখন নাহয় আমরা আপনার ফাঁকিবাজির শিকার হলাম। কিন্তু যিনি আপনার অন্তরসমূহের খবর আপনার চাইতে ভালো রাখেন, তাঁকে কীভাবে ফাঁকি দিবেন, ব্রাদার? এখন তো আবার নতুন এক সিস্টেম পেয়ে গেলেন মুক্তমনা কলাবিজ্ঞানীদের তরফ হতে, "সালাত আদায় করলে শারীরিক ক্ষতি হয়।" এ প্রসঙ্গে কিছু বলা যাক।

জ্ঞান (‘ইলম)

মানুষের এক্সপেরিমেন্ট বা সাইন্টিফিক ডিস্কাভারিগুলো বড়জোর মানুষকে কোনো বিষয়ে ধারণা দিতে সক্ষম হতে পারে, অ্যাবসোলিউট ট্রুথ বা জ্ঞান দিতে সক্ষম নয়। রিভিলেশন বা ‘ওয়াহী’র দ্বারা কনফার্ম হওয়া ছাড়া সবই আমাদের ধারণা মাত্র, কারণ সবকিছুর অ্যাবসোলিউট রিয়েলিটি আমরা জানি না। যিনি এসব সৃষ্টি করেছেন, তিনি জানেন।

রহমতের ঝর্ণাধারা

আমি বারবার সিক্ত হয়েছি রবের ভালবাসায়! মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে ভালবাসাগুলোকে লিখে ফেলতে। কিন্তু তা কি আর সম্ভব ... ? "বলুন, আমার পালনকর্তার কথা লিখার জন্যে সমুদ্র যদি কালি হয়ে যায়, তবে আমার পালনকর্তার কথা শেষ হওয়ার আগেই সমুদ্র নিঃশেষিত হয়ে যাবে, সাহায্যার্থে অনুরুপ পরিমাণ সমুদ্র এনে দিলেও।" [সূরাহ আল-কাহফ (১৮):১০৯]

অন্যরকম উপলব্ধির গল্প

হুমায়ূন আহমেদ তাঁর এক বইতে বলেছিলেন “মৃত মানুষের কোনো গল্প থাকে না। মানুষ গল্প চায়।” হুমায়ূন আহমেদের কথা শতভাগ সত্যি কি না, আমি জানি না। তবে আজ আমি একটি গল্প বলবো। কোনো বানানো গল্প নয়, সত্যি গল্প। গল্পটা কার, তাঁর নামটা কী—এটা বলবো না। শুধুই গল্প।

রুকুকারীদের সাথে রুকু করুন

কত সময়ই তো দুনিয়াবি ব্যস্ততায় কাটিয়ে দেই। অফিস, ভার্সিটির কাজ করতে করতে সালাতের টাইম হয়ে গেলে সময় বাঁচানোর জন্য বাসায় পড়ে নেই। কিন্তু একটু কি লক্ষ করে দেখেছেন যে, সময় কিন্তু সেইভাবে সেইভ হচ্ছে না। হয়তো আপনি বাসায় সালাত পড়ে অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে সময়টা নষ্ট করে ফেলেছেন।

ইখলাস বাড়ানোর তিনটি উপায়

ইখলাস অর্থ একনিষ্ঠতা বা বিশুদ্ধতা। একমাত্র আল্লাহ্‌কে সন্তুষ্ট করার জন্যই সৎকাজ করা এবং অসৎকাজ থেকে বিরত থাকাকে ইখলাস বলে। নানা কারণে এই একনিষ্ঠতায় ঘাটতি হতে পারে, চলে আসতে পারে মুনাফিকি। আছে সেই ঘাটতি দূরীকরণের উপায়ও!

প্রশান্ত হৃদয়ের সন্ধানে

গুনাহ করে ফেলার পর একজন আল্লাহভীরু ব্যক্তির ঠিক কী করা উচিত আর কীভাবেই অন্তরে জাগ্রত হওয়া অনুশোচনাকে কাজে লাগিয়ে জীবনের মুহূর্তগুলোকে সঠিকভাবে ব্যয় করা যায়, তার জন্যই এই লেখা।

যদি: শয়তানের কুমন্ত্রণার দ্বার

“যদি এটা করতাম, যদি ঐটা না হতো ...” এই কথাগুলো আমরা দৈনন্দিন জীবনে অহরহ বলে থাকি। অথচ আল্লাহই নির্ধারণকারী; এবং তিনি যা চান, তা-ই করেন।

আল্লাহর বিধান ও সামাজিক রীতি-নীতি

একই কাজ একজন করছেন সৃষ্টিকর্তাকে খুশি করার জন্য অপরদিকে অন্যজন করছেন সমাজের রীতি-নীতি পালনের জন্য, বাবা-মাকে সন্তষ্ট রাখার জন্য। এ দুজনের কাজ বাহ্যিক দৃষ্টিতে একই হলেও তা সমান নয়।

একটি স্বপ্ন ও কিছু সতর্কবার্তা

স্বপ্ন যে সবসময়ই অবাস্তব হবে তা কিন্তু ঠিক নয়। আর যদি স্বপ্নটি হয় আল্লাহ্ তা'আলা প্রেরিত শ্রেষ্ঠ মানুষটির, তবে তা সত্য ছাড়া কিছুই নয়। এমনই একটি স্বপ্ন ও এর ব্যাখ্যা নিয়ে এই লিখা।