পর্ব ০১ | পর্ব ০২

আল্লাহ তা’আলা বান্দাকে পূর্বের নির্ধারণ অনুযায়ী শাস্তি দিবেন না কিংবা তাকদীর অনুযায়ী কাউকে পুরস্কারও দিবেন না। কুরআন এবং সুন্নাহর কোথাও এই কথা বলা হয়নি; বরং তিনি তাদের আমল অনুযায়ী শাস্তি দিবেন অথবা ছাওয়াব দিবেন। সুতরাং দেখা যাচ্ছে ছাওয়াব বা শাস্তি আমলের ফলাফল। তাকদীরে থাকা মানে জোর খাটিয়ে বান্দাকে দিয়ে পাপ কাজ করানো হয় এই বুঝ সঠিক নয়। সৎ কাজের ব্যাপরেও কথা একই। আমলের উপর কিংবা বান্দার জান্নাতী হওয়া বা জাহান্নামী হওয়ার উপর তাকদীরের কোন প্রভাব নেই।

IIRT Arabic Intensive

আল্লাহ তা’আলা যেহেতু বান্দকে আকল তথা বোধশক্তি দিয়েছেন, আমল করা বা না করার স্বাধীনতা দিয়েছেন, শক্তিও দিয়েছেন,  বান্দা যেহেতু সেই আকল খাটিয়ে কাজ করে, নিজস্ব ইচ্ছা ও স্বাধীনতার বলে ভাল বা মন্দটা নির্বাচন করে, তাই সে নিজেই ছাওয়াব বা শাস্তির হকদার হয়। নামায যেহেতু বান্দাই পড়ে, তাই নামাযের পুরস্কার সেই পাবে, কুরআন যেহেতু বান্দার মুখ দিয়ে পড়া হয়, তাই প্রতিটি হরফের বিনিময়ে বান্দাই দশটি নেকী পাবে। বান্দাই যেহেতু যেনা করা এবং অন্যান্য পাপাচার থেকে নিজের আকল, সুকুমার বৃত্তি,  আপন ইচ্ছা ও এখতিয়ারের বদৌলতেই বিরত হয়,  সে কারণেই প্রশংসিত হয় বান্দা নিজেই এবং উক্ত কাজগুলোতে লিপ্ত হলে নিন্দিত হয় কেবল বান্দাই।

বদচরিত্রের কোন লোক যদি কারো মা-বোন বা স্ত্রীর সাথে যেনা করতে যায়,  তখন বিবেবকান কোন লোক এই কথা বলে না যে,  ঠিক আছে,  আমার স্ত্রীর নসীবে যেনা-ব্যভিচার লিখা আছে। তাই আমি তাকে বাধা দিব না। তার মন যা চায়,  আমার ঘরে তাই করে যাক; বরং সে রাগান্বিত হয়, জান দিয়ে হলেও নিজের ইজ্জত-আভ্রু রক্ষার্থে সিংহের মত ক্ষেপে উঠে এবং বদচরিত্রের লোককে প্রতিহত করে,  হত্যা করতেও উদ্যত হয়। এমনটিই হওয়া উচিত।

কারো ঘরে চোর ঢুকলে ঘরের মালিক এ কথা বলেনা যে,  চোরের মন যা চায় নিয়ে যাক,  আমি বাধা দিবেনা। বিচারকের আদালতে চোরকে হাযির করা হলে এবং সাক্ষী-প্রমাণের মাধ্যমে চুরি করা প্রমাণিত হলে চোর যদি বলে তাকদীরে লিখা ছিল,  তাই চুরি করেছি। পৃথিবীর মুসলিম-অমুসলিম কোন আদালত চোরের এই কথার কোন মূল্যায়ন করবে না।

সুতরাং মানুষের জন্য এই কথা বলা ঠিক নয় যে, তাকদীরে নামায লিখা নেই,  তাই পড়ছি না। তাকদীরে জাহান্নাম লিখা থাকলে নামায পড়েও লাভ হবেনা। আর তাকদীরে জান্নাত লিখা থাকলে নামায না পড়েও জান্নাতে যাওয়া যাবে। এটি কোন বিবেকবান মানুষের কথা হতে পারে না। ইবলীস ছাড়া অন্য কেউ মানুষের মাথায় এই কথা জাগ্রত করে না।

তাকদীরের বিষয়টি অত্যন্ত বড়। সাহাবীদের জ্ঞানের পরিধি ছিল অত্যন্ত বিশাল। তাই তারা সহজভাবে বিষয়টি বুঝতে সক্ষম হয়েছিলেন। সাহাবীদের যুগে সীমিত আকারে তাকদীরের বিষয়ে দু’একটি প্রশ্ন হলেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জবাব শুনে তাদের হৃদয় ঠান্ডা হয়ে গিয়েছে। রাসূলের পবিত্র জবানীতে জবাব শুনে কেউ আমল বর্জন করেন নি;  বরং আগের চেয়ে আরো বেশী আগ্রহ নিয়ে এবং জান্নাত লাভের আশায় সৎ আমলে মগ্ন হয়েছেন।

আল্লাহ তা’আলা কুফরী ও পাপাচার সৃষ্টি করেছেন, কিন্তু তিনি তা পছন্দ করেন না;  বরং কুফরী করাকে তিনি ঘৃণা করেন। তিনি কুফরী করতে নিষেধ করেছেন। কুফরী ও পাপাচার সৃষ্টি করা এবং তাতে লিপ্ত হওয়া থেকে নিষেধ করার মধ্যে কোন বৈপরিত্য ও পারস্পরিক সংঘর্ষ ও বিরোধ নেই। তিনি উহা সৃষ্টি করেছেন বিশেষ এক উদ্দেশ্যে; যাতে করে মুমিনগণ অন্যদের থেকে আলাদা হয়ে যায়। তিনি মানুষের শত্রু  ইবলীসকেও সৃষ্টি করেছেন; যাতে করে তিনি পরীক্ষা করতে পারেন, কে ইবলীসের অনুসরণ করে আর কে আল্লাহ তা’আলার আনুগত্য করে। সুতরাং কুফরী ও অন্যান্য পাপাচার সৃষ্টি করার পিছনে হিকমতে ইলাহী হচ্ছে বান্দাদেরকে পরীক্ষা করা। কুফরী করার জন্যই কুফরী,  পাপাচারে লিপ্ত হওয়ার জন্যই পাপাচার সৃষ্টি করেন নি এবং অশ্লীলতায় লিপ্ত হওয়ার জন্যই উহা সৃষ্টি করেন নি। বরং অন্য এক বিশেষ উদ্দেশ্যে তা সৃষ্টি করেছেন, যা আমরা ইতিপূর্বে একাধিকবার উল্লেখ করেছি। কুফরী সৃষ্টি না করলে পৃথিবীর সকল মানুষই মুমিন হয়ে যেত। তাতে আল্লাহ তা’আলার উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হতোনা। সুতরাং পাপাচার সৃষ্টির মধ্যেও রয়েছে আল্লাহ তা’আলার বিশেষ এক হিকমত। তিনি তাতে সৃষ্টি করেছেন, যাতে এর মাধ্যমে বান্দাদেরকে পরীক্ষা করা যায়।

কুফরী ও পাপাচার সৃষ্টি করার পিছনে আরো হিকমত হলো,  যাতে করে আল্লাহ তা’আলার সকল অতি সুন্দর নাম ও সুউচ্চ সিফাতের প্রভাবই তাঁর বান্দাদের উপর গিয়ে পড়ে। তাঁর অন্যতম নাম হচ্ছে الغفار এবং الغفور (ক্ষমাকারী বা ক্ষমাশীল)। এই অর্থে আরো নাম রয়েছে। আল্লাহ তা’আলার এই প্রকার নাম ও বিশেষণের দাবী হচ্ছে তাঁর কিছু বান্দা গুনাহতে লিপ্ত হবে। অতঃপর তারা অনুতপ্ত হবে ও তাওবা করবে। আল্লাহ তা’আলা তাদের সেই তাওবা কবুল করবেন এবং তাদেরকে ক্ষমা করবেন। মূলত এর মাধ্যমেও আল্লাহ তা’আলার এবাদতই বাস্তবায়িত হবে। আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
قُلْ ياَ عِباَدِيَ الَّذِيْنَ أسْرَفُوْا عَلىَ أنْفُسِهِمْ لاَتَقْنَطُوْا مِنْ رَحْمَةِ اللهِ إنَّ اللهَ يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ جَمِيْعاً إنَّهُ هُوَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ
“হে নবী! বলে দাও, হে আমার বান্দারা! যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছো আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়োনা৷ নিশ্চিয়ই আল্লাহ সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেন৷ তিনি ক্ষমাশীল ও দয়ালু।” (সূরা যুমারঃ ৫৩)

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ
لَلَّهُ أَشَدُّ فَرَحًا بِتَوْبَةِ عَبْدِهِ حِينَ يَتُوبُ إِلَيْهِ مِنْ أَحَدِكُمْ كَانَ عَلَى رَاحِلَتِهِ بِأَرْضِ فَلَاةٍ فَانْفَلَتَتْ مِنْهُ وَعَلَيْهَا طَعَامُهُ وَشَرَابُهُ فَأَيِسَ مِنْهَا فَأَتَى شَجَرَةً فَاضْطَجَعَ فِي ظِلِّهَا قَدْ أَيِسَ مِنْ رَاحِلَتِهِ فَبَيْنَا هُوَ كَذَلِكَ إِذَا هُوَ بِهَا قَائِمَةً عِنْدَهُ فَأَخَذَ بِخِطَامِهَا ثُمَّ قَالَ مِنْ شِدَّةِ الْفَرَحِ اللَّهُمَّ أَنْتَ عَبْدِي وَأَنَا رَبُّكَ أَخْطَأَ مِنْ شِدَّةِ الْفَرَحِ
“বান্দা যখন আল্লাহর কাছে তাওবা করে, তখন তিনি তোমাদের ঐ ব্যক্তির চেয়েও অধিক খুশী হন, যে তার বাহনে আরোহন করে সফরে বের হল। বাহনের উপরেই ছিল তার খাদ্য-পানীয় ও সফর সামগ্রী। মরুভূমির উপর দিয়ে সফর করার সময় বিশ্রামার্থে সে একটি বৃক্ষের নীচে অবতরণ করল। অতঃপর মাটিতে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়ল। ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে দেখল তার বাহন কোথায় যেন চলে গেছে। সে নিরাশ হয়ে একটি গাছের নীচে এসে আবার শুয়ে পড়ল। কিছুক্ষণ পর সে দেখতে পেলো, তার হারানো বাহনটি সমুদয় খাদ্য-পানীয়সহ মাথার পাশে দাঁড়িয়ে আছে। বাহনটির লাগাম ধরে আনন্দে আত্মহারা হয়ে বলে উঠলো, হে আল্লাহ! আপনি আমার বান্দা, আমি আপনার প্রভু। অতি আনন্দের কারণেই সে এত বড় ভুল করে বসেছে।” (সহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ তাওবা)

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেনঃ
كَانَ فِيمَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ رَجُلٌ قَتَلَ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ نَفْسًا فَسَأَلَ عَنْ أَعْلَمِ أَهْلِ الْأَرْضِ فَدُلَّ عَلَى رَاهِبٍ فَأَتَاهُ فَقَالَ إِنَّهُ قَتَلَ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ نَفْسًا فَهَلْ لَهُ مِنْ تَوْبَةٍ فَقَالَ لَا فَقَتَلَهُ فَكَمَّلَ بِهِ مِائَةً ثُمَّ سَأَلَ عَنْ أَعْلَمِ أَهْلِ الْأَرْضِ فَدُلَّ عَلَى رَجُلٍ عَالِمٍ فَقَالَ إِنَّهُ قَتَلَ مِائَةَ نَفْسٍ فَهَلْ لَهُ مِنْ تَوْبَةٍ فَقَالَ نَعَمْ وَمَنْ يَحُولُ بَيْنَهُ وَبَيْنَ التَّوْبَةِ انْطَلِقْ إِلَى أَرْضِ كَذَا وَكَذَا فَإِنَّ بِهَا أُنَاسًا يَعْبُدُونَ اللَّهَ فَاعْبُدِ اللَّهَ مَعَهُمْ وَلَا تَرْجِعْ إِلَى أَرْضِكَ فَإِنَّهَا أَرْضُ سَوْءٍ فَانْطَلَقَ حَتَّى إِذَا نَصَفَ الطَّرِيقَ أَتَاهُ الْمَوْتُ فَاخْتَصَمَتْ فِيهِ مَلَائِكَةُ الرَّحْمَةِ وَمَلَائِكَةُ الْعَذَابِ فَقَالَتْ مَلَائِكَةُ الرَّحْمَةِ جَاءَ تَائِبًا مُقْبِلًا بِقَلْبِهِ إِلَى اللَّهِ وَقَالَتْ مَلَائِكَةُ الْعَذَابِ إِنَّهُ لَمْ يَعْمَلْ خَيْرًا قَطُّ فَأَتَاهُمْ مَلَكٌ فِي صُورَةِ آدَمِيٍّ فَجَعَلُوهُ بَيْنَهُمْ فَقَالَ قِيسُوا مَا بَيْنَ الْأَرْضَيْنِ فَإِلَى أَيَّتِهِمَا كَانَ أَدْنَى فَهُوَ لَهُ فَقَاسُوهُ فَوَجَدُوهُ أَدْنَى إِلَى الْأَرْضِ الَّتِي أَرَادَ فَقَبَضَتْهُ مَلَائِكَةُ الرَّحْمَةِ
“তোমাদের পূর্ববর্তীদের মধ্যে জনৈক ব্যক্তি নিরানব্বই জন লোককে হত্যা করল। অতঃপর লোকদেরকে জিজ্ঞেস করলোঃ পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় আলেম কে? বলা হলো অমুক পাদ্রী। সে তার নিকট গিয়ে বলল যে, সে তো নিরানব্বই জন মানুষকে হত্যা করেছে। তার কোন তাওবা করার সুযোগ আছে কি? সে বললঃ তোমার কোন তাওবা নেই। এই কথা শুনে পাত্রী¬কেও হত্যা করে একশ পূর্ণ করল। অতঃপর লোকদেরকে জিজ্ঞেস করলোঃ এ যুগের সবচেয়ে বড় আলেম কে? এবার তাকে একজন আলেমের সন্ধান দেয়া হলো। আলেমের কাছে গিয়ে বলল যে,  একশটি প্রাণ হত্যা করেছে। তার কোন তাওবা আছে কি? আলেম বললেনঃ হ্যাঁ, তাওবা আছে তো। তাওবার মাঝে এবং তার মাঝে কে বাধা সৃষ্টি করলো? তুমি অমুক স্থানে চলে যাও। সেখানে একদল লোক পাবে। তারা আল্লাহর ইবাদতে রত আছে। তুমিও তাদের সাথে আল্লাহর ইবাদত করতে থাকো। আর নিজের এলাকায় কখনো ফিরে এসোনা। সে তথায় রওয়ানা হয়ে গেল। অর্ধেক পথ অতিক্রম করার পর তার মৃত্যু উপস্থিত হয়ে গেল। তখন রহমতের ফেরেশতা এবং আযাবের ফেরেশতা এসে পরস্পর বিতর্কে লিপ্ত হয়ে গেল। রহমতের ফেরেশতাগণ বললোঃ সে তাওবা করে আল্লাহর কাছে ফেরত এসেছে। সুতরাং আমরা তার জান কবজ করে আল্লাহর রহমতের দিকে নিয়ে যাবো। আজাবের ফেরেশতাগণ বললোঃ সে কখনও ভাল কাজ করেনি। বরং সে একশটি প্রাণ হত্যা করেছে। আমরা তার জান কবজ করে আল্লাহর আযাবের দিকে নিয়ে যাবো। এমতাবস্থায় মানুষের আকৃতিতে একজন ফেরেশতা আগমণ করলো। তারা তাকে উভয় দলের মাঝে ফয়সালাকারী নির্ধারণ করলো। তিনি ফয়সালা দিলো যে,  তোমরা এই স্থান থেকে দু’দিকের রাস্তা মেপে দেখ। তারা দু’দিকের রাস্তা মেপে দেখল যে এলাকার দিকে সে রওনা হয়েছিল সে দিকে অধিক নিকটবর্তী। তাই রহমতের ফেরেশতাগণ তার জান কবজ করলো।” (সহীহ বুখারী, অধ্যায়ঃ আহাদীছুল আম্বীয়া)

পাপ কাজ সৃষ্টি করার পিছনে এটিই হচ্ছে হিকমতে ইলাহী। আল্লাহ তা’আলার গাফুর, গাফ্ফার, التواب (তাওবা কবুলকারী) ইত্যাদি নাম দ্বারা আল্লাহকে ডাকা হবে, আল্লাহ তা’আলা তাঁর বান্দাদের সেই ডাক শুনবেন এবং এই নামগুলোর প্রভাব বান্দাদের উপর পড়বে। সুতরাং পাপাচার না থাকলে কিভাবে আল্লাহ তা’আলার এই নামগুলোর প্রভাব হতো? (আল্লাহ অধিক অবগত আছেন)


লেখকঃ আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী

শায়খ আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী স্নাতক সম্পন্ন করেছেন মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, সৌদি আরাবিয়া থেকে। বর্তমানে তিনি জুবাইল দাওয়া সেন্টার, সৌদি আরাবিয়াতে কর্মরত আছেন।

মুসলিম মিডিয়া ব্লগের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা সহ তা সামনের দিকে এগিয়ে নিতে আপনার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। ব্লগ পরিচালনায় প্রতি মাসের খরচ বহনে আপনার সাহায্য আমাদের একান্ত কাম্য। বিস্তারিত জানতে এখানে ভিজিট করুন।

নিচে মন্তব্যের ঘরে আপনাদের মতামত জানান। ভালো লাগবে আপনাদের অভিপ্রায়গুলো জানতে পারলে। আর লেখা সম্পর্কিত কোন জিজ্ঞাসার উত্তর পেতে অবশ্যই "ওয়ার্ডপ্রেস থেকে কমেন্ট করুন"।

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published.

IIRT Arabic Intensive