"এই আয়াতে আল্লাহ তা’আলা আমাদের একটি সাধারণ উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়েছেন যে, তিনি মানুষকে কত সামান্য জিনিস দিয়ে তৈরী করেছেন এবং তিনি তাকে পুনরায় তৈরী করতেও সক্ষম। তুমি এখান থেকে বৈজ্ঞানিক ভুল ধরেছো, তাই আমি এটাকে বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যাখ্যা করলাম।"
রামাদ্বানকে আমরা লাইট সুইচের মত ভাবি। সুইচ দিলে যেমন সাথে সাথে লাইট জ্বলে, তেমনি রামাদ্বান আসলেই শয়তান বাঁধা পড়বে আর আমরা অটোম্যাটিক “ভালো মানুষ” হয়ে যাবো। অথচ বিষয়টা মোটেও এমন সহজ নয়।
ইসলামের আচার অনুষ্ঠানগুলোর অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে একজন মুসলিমকে দৃঢ়, ধৈর্যশীল, জ্ঞানী, নিয়মানুবর্তী, দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি আর অধ্যবসায়ে পরিপূর্ণ করে তোলা। আর একজন অত্যাচারী শাসক কখনো এ ধরনের মানুষে পরিপূর্ণ একটি দেশের উপর চেপে বসতে পারে না।
আল্লাহ যদি মানুষকে ঘুমন্ত অবস্থায় পার্শ্ব পরিবর্তন না করাতেন? এই জিনিসটি যদি মানুষের ঐচ্ছিক হতো? মানুষ যদি একপাশ হয়ে অনেকক্ষণ শুয়ে থাকে তাহলে তার ওই পাশের কোষগুলো নষ্ট হয়ে যাবে!
কিয়ামতের দিন আমাদের জন্য অনেক সারপ্রাইজ থাকবে। আমরা হয়তো দেখবো আমাদের অনেক ভালো কাজ মীযানের পাল্লায় তেমন ভারীই হচ্ছে না, কিন্তু ছোট ছোট কিছু ভালো কাজ অনেক ভারী হচ্ছে।