“পৃথিবীর এত যুদ্ধ-বিগ্রহ, দ্বন্দ্ব সব ধর্মবিশ্বাসীদের কাজ। ধর্ম না থাকলে পৃথিবী অনেক সুন্দর হয়ে যেতো!” পরিচিত না? নাস্তিকরা এই কথাটা প্রায়ই বলার চেষ্টা করেন। আর এর মাধ্যমে বোঝাতে চান যে, ধর্ম আসলে হীন সাম্প্রদায়িকতার চর্চা এবং ধর্ম বিশ্বাসীদের হাতে পৃথিবীর (মানে অন্য ধর্ম পালনকারীদের) আর রক্ষে নেই।

সাম্প্রদায়িকতার সংজ্ঞা কী? U.C. Mandal তাঁর Dictionary Of Public Administration গ্রন্থে বলেছেন, “সাম্প্রদায়িকতা বলতে আমরা বুঝি, ধর্মীয় সম্প্রদায়ের একে অপরের বিরোধিতা।” এটা খুব সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে যে সাম্প্রদায়িকতা-অসাম্প্রদায়িকতার ব্যাপারে যখন কথা উঠে, তখন আপনার চিন্তাকল্পে সবচেয়ে বেশি আসবে ছাত্রজীবনে সমাজতন্ত্রের জয়গান গাওয়া কেউ একজন যার সবকে আপনার কর্ণকুহর মুখরিত হবে। অর্থাৎ সাম্প্রদায়িকতার প্রসঙ্গ আসলে একজন সমাজতন্ত্রী সাধারণত ধর্মকে খলনায়ক বানিয়ে গালাগাল করতে থাকে।

২০১৭ সালের ২০শে অক্টোবর রাশিয়ার মৃত বলশেভিক (সমাজতান্ত্রিক) বিপ্লবের ১০০ বছর হলো। বহু কাঠ-খড় পুড়িয়ে ১৯৮৫ সালে খোদ সমাজতান্ত্রিক বা কম্যুনিস্ট রাশিয়া নিজেই শিকার করে নিয়েছে যে, তাদের এই বিপ্লব মানুষের কাঙ্ক্ষিত সমাধান দিতে ব্যর্থ। বাধ্য হয়ে তারা মিখাইল গর্বাচেভের “গ্লাসনস্ত” ও “পেরেস্ত্রৈকা” নীতির অনুসরণ করে সাম্রাজ্যবাদের প্রতীক গণতন্ত্রে নিজেরাই আবার ফিরে গেছে।

মুসলিম মিডিয়া ব্লগের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা সহ তা সামনের দিকে এগিয়ে নিতে আপনার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। ব্লগ পরিচালনায় প্রতি মাসের খরচ বহনে আপনার সাহায্য আমাদের একান্ত কাম্য। বিস্তারিত জানতে এখানে ভিজিট করুন।

একটা জিনিস খুব উচ্চস্বরে আলাপ করা হয় সমাজতন্ত্র ও নাস্তিক্যবাদ এক না। অবশ্যই এক না। কিন্তু সমাজতান্ত্রিকদের ধর্ম বা রাষ্ট্রধর্ম কী? অবশ্যই নাস্তিক্যবাদ। সমাজতন্ত্র নিজেও ধর্ম হতে পারে। কিছু ধর্ম ঈশ্বরকেন্দ্রিক আর কিছু নিরীশ্বরবাদী।

তাই বলা যায় যে, সাম্প্রদায়িকতা হলো কোনো বিশেষ সম্প্রদায়ের প্রতি বিরাগভাজন হয়ে কারও অধিকার সুসংহত না করা এবং অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে কোনো বিশেষ সম্প্রদায়ের উপরে কোনো বিশেষ সম্প্রদায়কে প্রাধান্যদান। অসাম্প্রদায়িকতার কথা সেক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যখন কারও অধিকার তার জাতিধর্ম নির্বিশেষে সে পায়।

ইসলাম কী বলে এ ক্ষেত্রে? এ কথা ঠিক যে, ইসলাম এমন নমনীয় নয় যে আল্লাহর সাথে শির্ককারী বা অকৃতজ্ঞ ও নির্ভেজাল আল্লাহর হুকুম পালনকারীকে একইভাবে দেখবে। এমনটা যদি ইসলামকে ভেবে থাকেন, তবে আপনি নিজের ইচ্ছাধর্ম পালন করছেন। আবার এমনও না যে, কেউ ইসলাম পালন করে না বলেই ইসলাম তাকে তার প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে। ইসলাম তাই ওয়ালা ও বারার হিসাব রাখে। মধ্যমপন্থী একটি ধর্ম। না চরম, না নরম।

“ইসলাম আল্লাহর একত্ব ও মানবিক খিলাফতের উপর ভিত্তি করে মানব-স্বাধীনতার স্বীকৃতি দিয়েছে। আর সাথে সাথে মানুষের অধিকার রূপায়নের ক্ষেত্রে বাস্তবতা ও আপেক্ষিকতার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেছে “ইজতিহাদ” নীতির মাধ্যমে। নতুন সমাজব্যবস্থা ও সামাজিক নতুনত্বকে স্বীকার করে নতুন পন্থা আয়ত্ত করতে ইসলাম সমর্থ হয়েছে। তবে মানবিক অধিকারের মৌলিক ভিত্তিকে আপেক্ষিকতার কাছে বিকিয়ে দিয়ে দার্শনিক নৈরাজ্যবাদ ও সামাজিক স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়নি যা করেছিলো কম্যুনিজম।”[১]

বাংলাদেশে কম্যুনিস্ট আলাপে প্রায়ই দেখানো হয় যে, ধর্ম পালনকারীরা (বিশেষ করে ইসলাম) ক্ষমতায় এলেই অন্য ধর্মীদের অস্তিত্ব রাখবে না। যদিও মুসলিমদের শাসনের ইতিহাস সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলে। আজকের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাগুলো কারা করে আর এর উস্কানিদাতাও কারা, তা তো কারও অজানা নয়। এই ছুতোয় দেখবেন মুসলিমরা যখন বলে, “আমরা আমাদের বইয়ে ইসলাম রেখে শিশুদেরকে রাসূলের ﷺ ও সাহাবা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমদের জীবনী থেকে সুশিক্ষা দিতে চাই। বই থেকে এগুলো বাদ দেওয়া কেন হলো?” উত্তরে বাংলাদেশের সমাজতন্ত্রী কমিউনিস্টরা বলবেন, “এ দেশ সবার। রাষ্ট্রের আবার ধর্ম কী? মুসলিম শুধু নয়, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবার কথাই শুনতে হবে।”

মুসলিমদের গোবেচারা টাইপের নীরিহ প্রশ্ন-

– “মা পাখিটা মাথার উপর ঘুরঘুর করছে। ছানাটা নিয়ে নেমে এসেছে কেউ। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলে দিলেন ছানাটাকে রেখে আসো। জীবের প্রতি দয়া শিক্ষা দিলেন।” এ গল্প থাকলে দোষ কী?

– “ঈদের সালাত থেকে ফিরছেন রাসুল ﷺ। দেখলেন বাচ্চাটা কাঁদছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কাঁদছো কেন? বাচ্চাটা বললো সে এতিম। রাসুল তাকে বাসায় নিয়ে এলেন। বললেন, আজ থেকে আমিই তোমার বাবা।” এমন মহানুভবতার গল্প থাকলে দোষ কী?

– “আরবের উপর অনারবের শ্রেষ্ঠত্ব নাই। তোমরা যা খাবে তা তোমাদের দাস-দাসীদের খাওয়াবে। যা পরবে তা তাদেরও পরতে দিবে। দ্বীনে বাড়াবাড়ি করবে না।” বিদায় হাজ্জের এ ভাষণ থেকে তো মহান হওয়ার শিক্ষা পাওয়া যাচ্ছে। এটি থাকলে সমস্যা কোথায়?

– “অর্ধ-পৃথিবীর খলীফা আমিরুল মুমিনীন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যাচ্ছেন উটের উপর বসে মরুভূমিতে। উটের রশি টেনে নিচ্ছেন এক দাস। তিনি নেমে বললেন, এবার তুমি চড়ো।” এরকম কবিতা থাকলে তো বাচ্চাদের মন প্রসারিত হতো।

তারা আপনাকে বোঝাবে, “কিচ্ছু বুঝি না। এগুলো রাখা যাবে না। কারণ এ শিক্ষাগুলো বাস্তব ঘটনা যতই হোক, এগুলো ধর্ম (বিশেষত ইসলাম) থেকে আসা। সুতরাং এগুলো রাখা যাবে না।”

চিন্তার দৈন্য এখানেই যে, যখন তারা ইসলাম নিয়ে কথা বলে তখন অন্য সব ধর্মের পৌরাণিক কাহিনীর সাথে ইসলামকে মিলিয়ে ফেলে। এরা ভাবে জিউসের অশ্রাব্য কাহিনী আর লীলাখেলার সাথে ইসলামও মনে হয় সামঞ্জস্যশীল। অথচ ইসলামের ঘটনাগুলো ঘটে যাওয়া ইতিহাস। সত্য ও সুন্দর। কোনো আজগুবি কিসসা নয়।

এবার আসি আসল কথায়। এ অসাম্প্রদায়িক মন্ত্র যারা জপে যান, তাঁরা কি আসলেই এই অসাম্প্রদায়িকতার তত্ত্বে বিশ্বাস করেন? প্রথমত, উপর্যুক্ত উদাহরণ থেকে স্পষ্ট যে, তা নয়। কারণ, শুধুমাত্র মুসলিমদের ঐতিহ্য ও ইতিহাসের সাথে সম্পৃক্ত বলেই শিক্ষণীয় ঘটনা হলেও তারা অনেক কিছুই পাঠ্যপুস্তকে রাখতে চায় না শুধুমাত্র শত্রুতাপূর্ণ বিদ্বেষ থেকে। আল্লাহ বলেন,

…শত্রুতাপ্রসূত বিদ্বেষ তাদের মুখেই প্রকাশ পায়। আর যা তাদের অন্তরে রয়েছে, তা আরো ভয়াবহ…। [সূরাহ আল-ইমরান (৩): ১১৮]

দ্বিতীয়ত, আমরা যদি রাশিয়া ও চীনে কম্যুনিস্ট শাসনের দিকে তাকাই তবে তাদের খুললাম খুল্লা সাম্প্রদায়িকতা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট দেখতে পাবো। তো চলুন এর কিছু নমুনা আমরা দেখে নিই।

– আপনারা জানেন যে, গত কয়েক বছর ধরে চীনে মুসলিম উইঘুর সম্প্রদায়কে কীভাবে পীড়ন করা হচ্ছে। তাদের সওম রাখতে দিচ্ছে না। কিছুদিন আগে তাদের জায়নামায ও কুরআন একত্র করে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। নিয়ন্ত্রিত চীনের অভ্যন্তরে আরও কী হচ্ছে তা অনেক কিছুই জানা সম্ভব না।

– ১৯১৭ সালে বলশেভিক বিপ্লব বা অক্টোবর বিপ্লব সাধিত হয়, যাকে কম্যুনিস্ট বিপ্লবও বলা হয়। বিপ্লবের ধুয়ায় যে অধিকারের কথা বলে, তা যে আসলে আরও বড় সাম্রাজ্যবাদী হবে তা অনেকেই জানতো না। রাশিয়ার কম্যিউনিস্ট পার্টি সব ধর্মকেই ধীরে ধীরে নিষিদ্ধ করে দেয়। আনাতোল লুনাকারস্কি (Pravda, March 25, 1929) বলেন, “কম্যুনিস্ট রাশিয়ার শিক্ষককে নাস্তিক হতেই হবে। এ সামাজিক ব্যবস্থায় ধর্মবিশ্বাসী শিক্ষকের কথা চিন্তাই করা যায় না। মোল্লাদের পয়সা দেবার আর কেউ নেই। (পুরোহিততন্ত্র ইসলাম?!)।”

– Yefremov ও Gabarov তাঁদের Land of Soviets: Muslims in the Soviet Union (Moscow, 1959) গ্রন্থে স্বীকার করেন যে অনেক মসজিদকে নাট্যশালা ও নৃত্যালয়ে রূপান্তরিত করা হয়েছিলো।

– ১৯২০ সালের সেপ্টেম্বরে বাকুতে এক সম্মেলনে জিনভিয়েভের সভাপতিত্বে ঘোষণা করা হয়, “মুসলিমদের আজ মুহাম্মাদের নিশান পরিত্যাগ করে এক লাল পতাকার নিচে সমবেত হওয়ার আহবান জানানো হচ্ছে। ইসলামের স্থলে কমিন্টার্ন, মুহাম্মাদের জায়গায় লেলিন ও মস্কো-লেলিনগ্রাদকে নতুন মক্কা-মদিনা হিসাবে নিতে হবে। ধর্মীয় শপথ বেআইনী করা হচ্ছে।”

– কমিউনিস্ট চীনে ইসলামিক স্কুলগুলোতে খোদ ধর্মীয় শিক্ষাই নিষিদ্ধ করা হয়। বলা হয় কমিউনিস্টরা যা হুকুম করবে, তা পালন করার পরই ধর্ম পালন করার অধিকার দেওয়া হবে। চীনা ইসলামি সমিতির কাজ হচ্ছে ইসলামের প্রভাব কমিয়ে আনা। আর বৌদ্ধ সমিতির কাজ হচ্ছে কমিউনিজম প্রচার করা।

– মধ্য এশিয়ায় ইতোমধ্যে আযাদী আন্দোলন দানা বাঁধতে থাকে। উজবেক নেতা খুজায়েভকে স্বাধীন মনোভাবের জন্য হত্যা করা হয় (১৯৩৭)।

– আজারবাইজানকে কম্যুনিস্ট কবলে আনার জন্য লেলিন শাউমিয়ান নামে এক ইহুদীকে পাঠান। শাউমিয়ান হাজার হাজার লোককে হত্যা করে। আজারবাইজানি নেতা রসুলযাদা, মুহাম্মদ আমিন ও ফতেহ আলী খাঁকেও হত্যা করা হয়।

– ১৯২০ সালে হাঙ্গেরীয় ইহুদি বেলাকুন ক্রিমিয়ায় প্রবেশ করে হাজার হাজার মুসলিমকে হত্যা করে।

– কোকন্দ অধিকারের সময় ১৪ হাজার লোককে হত্যা করা হয় আর দুর্ভিক্ষে মারা যায় ৯ লক্ষ লোক।[২]

– ১৯৩০ থেকে ১৯৩৭ সালের মধ্যে বহু রুশ মুসলিম তুরস্ক ও জার্মানিতে হিজরত করেন। ১৯৩৩ সালে যেখানে মুসলিমদের সংখ্যা ছিলো শতকরা ৭২ জন, ১৯৫৬ সালে তা শতকরা ৫৯ জনে এসে দাঁড়ায়। ধ্বংস করা হয় সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য।

– পশ্চিমা সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামে মুসলিম জনগণকে লেলিন সমর্থন জানিয়েছিলেন। কিন্তু বলশেভিক আধিপত্য ও শ্রেণী সংগ্রামের নীতি মানতে চাননি। তুর্কি নেতা তোগানকে যখন লেলিন লিখলেন যে “প্রতিশ্রুতি পালন করা বিপ্লবীর লক্ষণ নয়”, তখন এ ধরণের বিপ্লবী মোনাফেকিতে তোগান রাজি হতে পারেননি।[৩]

– আরবীয় ইসলামি ঐতিহ্যের আবেদন স্তিমিত করার জন্য ৪০ বছর আরবি কুরআন শরীফ পড়তে দেওয়া হয়নি।[৪]

– ১৯২০ সালে মসজিদ ও মাদ্রাসার সংখ্যা ছিলো ২৬২৬৯ (মাদ্রাসা ১০৩)। আর ১৯৪১ সালে মসজিদের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৩১২তে।

– বৃহৎ সোভিয়েত বিশ্বকোষে কুরআনকে নিপীড়নের হাতিয়ার বলা হয়েছে।[৫] অথচ কুরআন নিজেই জুলুমের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে প্রেরণা দিয়েছে।[৬]

রাসূলুল্লাহ ﷺ অমুসলিমদের মানবিক মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং ইসলামি রাষ্ট্রে আইনের রাজত্বে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা স্বীকৃত। আপনি প্রকৃত ইসলামী শাসনের ইতিহাস দেখলেই বুঝবেন সেখানে স্বজনপ্রীতির কোনো সুযোগ নেই। নেই জাতিবাদের ভিত্তিতে কারো পক্ষে রায় দেওয়ার সুযোগ। কিন্তু এসব স্বীকৃতি কম্যুনিজমে খুঁজে পাওয়া নিষ্ফল চেষ্টামাত্র। ব্যক্তিজীবন এখানে সামাজিক জীবনের যাঁতাকলে পিষ্ট। তাই মানবিক মর্যাদার কোনো মূল্য নেই।

কথা হলো, আমরা যে কম্যুনিজমের বাস্তব চিত্র এতক্ষণ দেখলাম তা কম্যুনিজম ও নাস্তিক্যবাদের ধর্মের ইতিহাস। আগেও বলেছি ঐশ্বরিক ধর্ম পালন না করা আরেক ধর্ম- নিরীশ্বরবাদী ধর্ম। নাস্তিক বা কমিউনিস্টরা ক্ষমতার স্বাদ পেলে কতটা উগ্র ও হিংস্র হয়ে উঠতে পারে তা তো পরীক্ষিত। পরমত ও পরধর্মের সহিষ্ণুতার যে পরম বাণী আমাদের তারা শুনিয়ে বেড়ায়, তার পেছনের অভিসন্ধি না জেনে অনেক যুবক বিভ্রান্ত হয়। আসলে তাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে ধর্ম পালনকারীদের ব্যাপারে কতটা সাম্প্রদায়িকতা বিদ্যমান, তা ঐ মুখের কথাতে আপনি পাবেন না, পাবেন ইতিহাসে।

তথ্যসূত্র ও গ্রন্থাবলি

[১] কম্যুনিস্ট শাসনে ইসলাম, ড. হাসান জামান, পৃষ্ঠা- ৩৬

[২] The History of Civil War in the USSR, edited by Gorky, Molotov & others, 1938, p 217

[৩] Hans. Konu, Nationalism in the Soviet Union, London: 1933

[৪] Yefremov, p- 15

[৫] ১৯৫৩, ১৮শ পুস্তক, ৫১৮ পৃ.

[৬] কমিউনিস্ট শাসনে ইসলাম, হাসান জামান, ঢাকা, ১৯১২

নিচে মন্তব্যের ঘরে আপনাদের মতামত জানান। ভালো লাগবে আপনাদের অভিপ্রায়গুলো জানতে পারলে। আর লেখা সম্পর্কিত কোন জিজ্ঞাসার উত্তর পেতে অবশ্যই "ওয়ার্ডপ্রেস থেকে কমেন্ট করুন"।

দুই বছর মেয়াদী অনলাইন ভিত্তিক আরবি ভাষা শিক্ষা প্রোগ্রাম IIRT Arabic Intensive
বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published.