পৃথিবীর অন্যান্য অনেক জিনিসের মতোই শব্দেরও বংশপরম্পরা রয়েছে যার দ্বারা তাদেরকে চিহ্নিত করা যায়। অনবরত বর্ধমান ব্যুৎপত্তিবিদ্যার জ্ঞান আমাদেরকে শব্দের মূল সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে। মানুষ ঠিক যেভাবে জিনিসপত্র আমদানি রপ্তানি করে থাকে, ঠিক তেমনটি আমরা শব্দের ক্ষেত্রেও করে থাকি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমদানিকৃত দ্রব্য, সেবা বা ধারণাসমূহ আমদানিকারক মানুষদের কাছে বহিরাগত। শেষ পর্যন্ত তাই দেখা যায় যে, মানুষ সেগুলোর নামগুলোও আমদানি করে নেয়। এটি বিভিন্ন বর্ণ, সংস্কৃতি এবং ভাষার মানুষদের মাঝে বিভিন্ন শব্দ অদলবদল হওয়ার একটি পদ্ধতি। আরব এবং পশ্চিমা বিশ্বের মাঝে রয়েছে এমনই এক লম্বা ইতিহাস। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সংস্কৃতির অদলবদল। সুতরাং এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই যে শত শত, এমনকি হাজার হাজার আরবি শব্দ ইংরেজিসহ অন্যান্য ইউরোপিয়ান ভাষায় স্থান করে নিয়েছে।

আমরা নিজেরা আসলে কত প্রকার সংস্কৃতি এবং বর্ণের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছি, সে বিষয়ে যদি আমাদের জানা থাকে আমাদের নিজেদের মাঝে একে অপরের প্রতি আরো বেশি সহনশীলতা, বোধশক্তি এবং সমাদরবোধ তৈরি হয়। ভাষার বিকাশের পরিক্রমায় আমরা সহজেই নিজেদের সংস্কৃতির ওপর অন্যান্য সংস্কৃতির প্রভাব পরিমাপ করতে পারি। এটি একটি মনোমুগ্ধকর বিষয় যে ইউরোপিয়ান ভাষাগুলোতে আরবি  অনেক শব্দের অনুপ্রবেশের বহু শতাব্দি পরেও সেগুলো তাদের আরবি মূলের পরিচয় বহন করে। আরবি থেকে যেসব ইংরেজি শব্দের উৎপত্তি হয়েছে, তার বিশাল ভাণ্ডার থেকে আমি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত এমন ১০ টি শব্দ বাছাই করে নিয়েছি যা কিনা সুস্পষ্টভাবে সংস্কৃতির মিশ্রণের আভাস দেয়।

IIRT Arabic Intensive

 সাফারি

আমরা সবাই একটি ভালো অবকাশযাপন পছন্দ করি এবং এর জন্য ব্যাকুল হয়ে থাকি। যেমনটি হয়ত একটি সুন্দর সাফারি অবকাশ, যার মাধ্যমে আমরা প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ সৌন্দর্য্যগুলো উপভোগ করতে পারি। ইংরেজি অভিধানে সাফারি শব্দটির ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলা হয়েছে, ‘বিশেষত আফ্রিকায়, শিকার অভিজানের সরঞ্জামে সুসজ্জিত বাহন।’ কিন্তু আমভাবে ব্যবহৃত অর্থে আমরা বোঝাই, ‘বিশেষত আফ্রিকায়, পশুদের অবলোকন বা শিকারের উদ্দেশ্যে ভ্রমণ।’ এই শব্দটির মূল রয়েছে আরবি শব্দ সাফারি(السفري) তে যা সফর বিষয়ক কোনো বিষয়কে নির্দেশ করে। সাফারি(السفري) শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে সাফার(سفر) থেকে যার অর্থ ভ্রমণ। উচ্চারণ ব্যতিরেকে বিবেচনা করলে, ইংরেজি সাফারি শব্দটি সুস্পষ্টভাবে এর আরবি মূলের ইঙ্গিত করে।

ম্যাগাজিন

যদি আপনি ডাক্তারের অফিসে অপেক্ষমাণ থাকেন বা নাপিতের কাছে আপনার সুযোগ আসার অপেক্ষায় বসে থাকেন বা কোনো অফিসে আপনার পালা আসার অপেক্ষায় বসে থাকেন, আর সেই কয়েক মিনিট পার করতে চান কিংবা আপনার শিশুদেরকে ঘুম পারিয়ে কিছু আনন্দঘন মুহূর্ত পার করতে চান, তখন এর একটি ভালো উপায় হলো ম্যাগাজিন পাঠ। ম্যাগাজিন শব্দটি আরবি শব্দ মাখাযিন( المخازن) থেকে উদ্ভুত, যার অর্থ হল ‘গুদাম ঘর’। মাখাযিন(المخازن) শব্দটি মাখযান(مخزن) শব্দের বহুবচন যার অর্থ ‘একটি গুদাম ঘর’। মাখাযিন(المخازن) ইটালিয়ান ম্যাগাযিনো তে পরিণত হয়, যা মধ্য ফ্রান্সে ম্যাগাসিনে রুপান্তরিত হয়। অবশেষে ১৬ শতাব্দিতে ম্যাগাজিন নামে ইংরেজিতে স্থান লাভ করে

প্যারাডাইস

যারা আল্লাহর ওপর এবং পরকালের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে তাদের সবারই একটি সর্বজনীন লক্ষ্য রয়েছে, আর তা হল পরকালে মুক্তি লাভ। আর এই মুক্তি লাভের চূড়ান্ত বাস্তবায়ন হল প্যারাডাইসে( বেহেশত) একটি স্থান লাভ করা। প্যারাডাইস শব্দটি যা প্রায়শই Garden of Eden নামে অভিভূত করা হয়, তার মূল রয়েছে আরবি শব্দ ফিরদাওসে( الفردوس)।  যেমনিভাবে এই শব্দের অর্থের ক্ষেত্রে পূর্ব আর পশ্চিমের (মানুষের) ধ্যানধারণা এক, ঠিক তেমনিভাবে সেই লক্ষ্যে (পরকালে মুক্তিলাভ) পৌঁছানোর ব্যাকুল ইচ্ছার ক্ষেত্রেও অনেক ধর্মগুলো একই রকম। আরবি ফিরদাওস(فردوس) শব্দটি গ্রিক, প্রয়াত ল্যাটিন, প্রাচীন ফ্রেঞ্চ হয়ে অবশেষে ইংরেজিতে প্যারাডাইসে পরিণত হয়েছে।

 সিরাপ, সেরবেত, সরবত

গরমের দিনে, কর্মস্থলে লম্বা সময় পার করার পর  অথবা বিকালে জিমে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করার পর এক গ্লাস পানীয় সিরাপ বা আপনার পছন্দের ফলের তৈরি সরবত সমস্ত(কষ্ট) ভুলিয়ে দিতে পারে। সিরাপ ও সেরবেত বা সরবত এর উৎপত্তি হয়েছে তিন হরফবিশিষ্ট আরবি ক্রিয়াপদ সারিবা(شرب) থেকে। সিরাপ শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে আরবি শব্দ শারাব(شراب) থেকে, যার অর্থ  ‘একটি পানীয়’। আর শেরবেত বা শরবত এসেছে আরবি শব্দ শারাবা(ত)(شربة) থেকে যার অর্থ ‘একটি একক পানীয়’। আরবি শব্দ শারাবা(ত)(شربة) ফারসিতে শরবত এবং তুর্কিতে শেরবেতে রুপান্তরিত হয়। পরবর্তীতে এটি ‘শেরবেত’ বা ‘শরবত’ রূপে ইংরেজিতে স্থানলাভ করে। আর সিরাপ শব্দটি আরবি শারাব (شراب) শব্দটি থেকে ফ্রেঞ্চ ও ইটালিয়ান ভাষায় গৃহিত আর ১৪ শতাব্দিতে ইংরেজিতে স্থান পায়।

 লেমন

আরেকটি পানীয় যা গরমের দিনে (শরীরকে)শীতল করতে পারে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে চাঙ্গা করতে পারে তা হলো লেবুর সরবত। লেবুর সরবত স্বভাবতই লেবু দিয়ে তৈরি। আর লেবু হলো সেই ফল যা ছাড়া বহু ভোজনবিলাসী খাবারেরই স্বাদই পাওয়া যাবেনা। লেবুর সরবত ভিটামিন ‘সি’ তে সমৃদ্ধ এবং কিছু পরিমাণে ভিটামিন ‘বি’ ও এতে রয়েছে। এটি আধুনিক রান্নাঘরের একটি মুখ্য উপাদান। যা হোক, কিছু কিছু সভ্যতার মানুষেরা পৃথিবীর অন্যান্য জায়গার তুলনায় বহু শতাব্দি আগে থেকেই লেবুর সাথে পরিচিত। ১০০০ থেকে ১২০০ সালের মধ্যে আন্দালুসিয়া তথা মুসলিম স্পেনের সুবাদে ইউরোপিয়ানরা লেবুর সাথে পরিচিত হয়। ক্রুসেডাররা তাদের সংক্ষিপ্ত অথচ রক্তক্ষয়ী আক্রমণের সময় ফিলিস্তিনে লেবুর উৎপাদন দেখতে পায়। এটি বিশ্বাসযোগ্য যে তারা ইউরোপের অন্যান্য অঞ্চলে লেবু বহন করে নিয়ে যায়।

‘লেমন’ শব্দটি আরবি শব্দ ‘লাইমুন’(ليمون) থেকে ইটালিয়ান, এরপর ফ্রেঞ্চ হয়ে অবশেষে ইংরেজিতে প্রবেশ করেছে। এই আরবি শব্দটি সম্ভবত অস্ট্রোনেশীয় কোনো ভাষা থেকে উদ্ভুত হয়েছে। হয়ত বালিনীয় শব্দ ‘লিমু’ অথবা মালয় শব্দ ‘লিমাও’ থেকে।

 কটন

আরব দেশ শতাব্দির পর শতাব্দি ধরে পশ্চিমা দেশগুলোতে শুধু উন্নতমানের তুলা রপ্তানিই করে যাচ্ছে না বরং সেটি সেই শব্দটিও রপ্তানি করেছে যার দ্বারা বহু পশ্চিমা ভাষাগুলো নরম ও তুলতুলে আঁশকে বুঝিয়ে থাকে। ইংরেজি কটন শব্দটি আরবি ‘কুতন’(قطن) শব্দটি থেকে  প্রাচীন স্প্যানিশ বা ইটালিয়ান হয়ে ফ্রেঞ্চ এবং পরবর্তীতে ইংরেজিতে স্থানলাভ করে। নবী মুহাম্মাদ(সাঃ) এর জীবনকাল অতিবাহিত হওয়ার পরপরই বস্ত্র তৈরির গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎস বনে যায় এই তুলা। এটি এজন্য হতে পারে যে নবী মুহাম্মাদ(সাঃ) তার জীবদ্দশায় তুলার চাদর ব্যবহার করেছেন। বস্তুত, নতুন সব আবিষ্কার থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে ইসলাম এবং মুসলিমদের প্রসারের আগে থেকেই তুলা ছিল আরবের একটি সুদূরপ্রসারী শিল্প।

বর্তমানে তুলার উৎপাদনে শীর্ষস্থানে রয়েছে যেসব দেশ তারা হলো: চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, উযবেকিস্তান, ব্রাজিল, তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া, গ্রিস, সিরিয়া, মিসর এবং তুর্কমেনিস্তান।

ক্যারেট

স্বর্ণ হল এমন একটি বস্তু যার কদর সমস্ত সভ্যতা সমানভাবে করে থাকে। আপনি যে অঞ্চলের লোক হন না কেন, যে ভাষাতেই কথা বলেন না কেন, বা যে বর্ণের মানুষ হন না কেন, স্বর্ণ আপনার কাছে সম্ভবত খুবই মূল্যবান। এটি বলার অপেক্ষা রাখে না যে ক্যারেট হল স্বর্ণের গুনগত মান যাচাইয়ের নিক্তি। স্বর্ণের গুনগত মান যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ক্যারেট স্কেল বিশ্বে একটি সার্বজনীন ব্যবস্থা। আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা অনুযায়ী স্বর্ণের ১/২৪ অংশকে ১ ক্যারেট বলে। তাই ২৪ ক্যারেট স্বর্ণকে সবচেয়ে বিশুদ্ধ স্বর্ণ ধরা হয়ে থাকে। ক্যারেট শব্দটিও উদ্ভব হয়েছে আরবি থেকে। ক্যারেট শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে ‘কিরাত’(قيراط) শব্দটি থেকে। ‘কিরাত’(قيراط) শব্দটি তার ইংরেজি প্রতিরূপ থেকে অর্থের দিক থেকে তেমন একটা ভিন্ন নয়।  আরবের এক রীতি অনুযায়ী এটি স্বর্ণের ১/২৪ অংশ বোঝায়, আর অন্য রীতি অনুযায়ী ১/২০ অংশ।

তামারিন্দ

সবচেয়ে সুস্বাদু কয়েকটি খাবারের একটি মুখ্য উপকরণ হল তেঁতুল। আর আপনি কিছু কিছু খাবারের স্বাদই পাবেন না যদি না আপনি আফ্রিকার এই টক ফলটি ব্যবহার না করেন। এই ফলটি সম্পর্কে প্রাচীন গ্রিক কিংবা রোমানরা অবগত ছিল না। এটি আরবের মাধ্যমে মধ্যযুগে ল্যাটিন চিকিৎসাবিদ্যায় প্রবেশ করে। আরবরা ভারতের মাধ্যমে তেঁতুল আবিষ্কার করে, তথাপি এই ‘তামারিন্দ’ নামটির উদ্ভব। আরবি শব্দ ‘তামার হিন্দ’(تمر هندي), যার আক্ষরিক মানে দাঁড়ায় ‘ভারতীয় খেজুর’। তেঁতুল এবং খেজুরের মধ্যে সাদৃশ্য রয়েছে। যেহেতু আরবদের কাছে খেজুর খুবই জনপ্রিয় ফল, সেহেতু তারা এই বিদেশি ফলের নাম দিয়েছে তামার হিন্দ(تمر هندي) বা ভারতীর খেজুর। সম্ভবত এজন্য যে উভয় দেখতে একই রকম।

 স্পিনাচ

আমরা অনেকেই নাবিক পাপাইয়ের অভিযান দেখে বড় হয়েছি। এক কৌটা পালং শাক খাওয়ার পর পাপাই অপ্রতিরোধ্য হয়ে যেত। আসলে কিন্তু সে এর পুষ্টিমানের ব্যাপারে অতটা ভুল ছিলনা! পালং শাকে আছে অত্যন্ত গুণগত মানের পুষ্টি। পরবর্তীতে যেই খাবারটি অতিপ্রাকৃত খাবার নামে পরিচিতি লাভ করে, তা সম্পর্কে কিন্তু প্রাচীন গ্রিক বা রোমানরা অবগত ছিল না। আরবরা আন্দালুসিয়া তথা মুসলিম স্পেনের মাধ্যমে ইউরোপিয়ানদেরকে স্পিনাচ বা পালংশাকের সাথে পরিচয় করায়। মধ্যযুগীয় আরবরা এই অতিপ্রাকৃত খাবারটিকে ইসবানাখ(السبانخ) নামে অভিহিত করতো। কিন্তু আন্দালুসিয়ার আরবি মতে এটি ইসবিনাখ নামে পরিচিত ছিল। যা থেকে পরবর্তীতে শব্দটি ইংরেজিতে স্পিনাচ এ রুপান্তরিত হয়।

কফি

পানির পরে সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় হল কফি। সমস্ত পৃথিবী জুড়ে প্রতিদিন ১০০ কোটি কাপের বেশি কফি পান করা হয়ে থাকে। ১২ শতাব্দিতে আবিষ্কার হওয়া এবং কিছু মানুষের কাছে কালো স্বর্ণ নামে পরিচিত এই কফি এর আবিষ্কারের পর থেকে সমস্ত পৃথিবীতে ছড়িয়ে গেছে। জনশ্রুতি আছে যে খালেদ নামে ইথিওপিয়ান এক ছাগলের রাখাল দেখতে পায় যে তার ছাগলগুলো এক প্রকার আজব জাম জাতীয় ফল খেয়ে খুবই উদ্দীপ্ত হয়ে যায়। এই জাম জাতীয় ফলই পরবর্তীতে কফি নামে পরিচিতি পায়। এই ছাগলের রাখাল বুঝতে পারে যে এই জামজাতীয় ফলে নিশ্চই বিশেষ কিছু রয়েছে। এ থেকেই কফির যাত্রা শুরু।

আরবরা এই পানীয়কে বলে কাহওয়া(قهوة) যার আক্ষরিক অর্থ দাঁড়ায় ওয়াইন। তারা এই নামটি ব্যবহার করেছে নিশ্চিতরূপে পানকারীর ওপর এর প্রভাব দেখে, যা কিনা অবশ্যই ভালো। আরবি এই শব্দটি তুর্কিতে কাহভেহ নামে উচ্চারিত হয়। এ থেকে ইটালিয়ানে পরিণত হয় ‘ক্যাফে’ তে। সবশেষে ইংরেজিতে ‘কফি তে রুপান্তরিত হয়।

একটি শব্দের উৎপত্তি খুজে বের করতে পারা আমাদের জন্য সংস্কৃতি, সামাজিক এবং ভাষার আদান প্রদানে প্রগতিশীল জগতের দুয়ার উন্মুক্ত করে দেয়। বর্ণবাদ এবং ইসলামবিদ্বেষীতা যেভাবে বেড়ে চলেছে, আমাদের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ন যে আমরা নিজেদের এবং আশেপাশের অন্যদেরকে এ বিষয়ে শিক্ষিত করে তুলি যে পশ্চিমা জগতের ওপর আরব এবং মুসলিম জগতের কতটা প্রভাব রয়েছে। এই উপলব্ধিগুলো সহনশীলতার সেই অনুভূতিগুলো জাগিয়ে তুলতে সাহায্য করবে যার ওপর ভিত্তি করে মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর এটি সেই মুসলিমদেরদের ক্ষমতায়ন করবে যারা পরিচয়হীনতায় ভুগছে। আর এটি ইচ্ছাকৃতভাবে, সাজানো গোছানো পরিকল্পনার মাধ্যমে এজন্য সৃষ্টি করা হয়েছে যাতে করে পশ্চিমা বিশ্বের ওপর প্রাচ্যের যে প্রভাব রয়েছে তাকে ধামাচাপা দেওয়া যায়।


উৎস: Muslim Matters (মূল আর্টিকেল লিন্ক)

অনুবাদক: মিনহাজ মুক্তাদির

অনুবাদ কপিরাইট © মুসলিম মিডিয়া

 

 

মুসলিম মিডিয়া ব্লগের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা সহ তা সামনের দিকে এগিয়ে নিতে আপনার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। ব্লগ পরিচালনায় প্রতি মাসের খরচ বহনে আপনার সাহায্য আমাদের একান্ত কাম্য। বিস্তারিত জানতে এখানে ভিজিট করুন।

নিচে মন্তব্যের ঘরে আপনাদের মতামত জানান। ভালো লাগবে আপনাদের অভিপ্রায়গুলো জানতে পারলে। আর লেখা সম্পর্কিত কোন জিজ্ঞাসার উত্তর পেতে অবশ্যই "ওয়ার্ডপ্রেস থেকে কমেন্ট করুন"।

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published.

IIRT Arabic Intensive