স্পষ্টত, মনে আছে তাঁর নামটি প্রথম দৃষ্টিগোচর হয় আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে হাদিসের নামে জালিয়াতি নামের অসাধারণ একটি বইয়ের মাধ্যমে। এই বইটিই বুঝিয়ে দিয়েছিল তিনি ছিলেন একজন বড় মাপের ইসলামিক পণ্ডিত আর হাদিস বিশারদ। এরপর নানাভাবে আবিষ্কার করি ডঃ খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যারের বিনয় আর উদারতার দৃষ্টান্ত। একজন বড় মনের মানুষ ছিলেন। ‘আলেম কিংবা স্কলার বলতে আসলেই যাদের বোঝায় তাঁদের চমৎকার উদাহরণ ছিলেন তিনি। বিভিন্ন মতবাদে মুসলিম উম্মাহ যখন নানাভাবে বিভক্ত, যখন সংকীর্ণতা গ্রাস করে দলকেন্দ্রিক বানিয়েছে অনেককেই, যখন কাঁদা ছোড়াছুড়ি খুব আয়েশের ব্যাপার, তখন এই ব্যক্তিটা দূরত্ব ঘুচাতে এগিয়ে এসেছিলেন, প্রান্তিকতা মোছাতে এসেছিলেন। তাঁর কথাতে আল্লাহ্‌ কিছু একটা দিয়েছিলেন। তা যে-ই শুনেছে, মুগ্ধ হয়েছে। খুঁটিনাটি বিষয়কে প্রাধান্য না দিয়ে উম্মাহর কঠিন সমস্যাগুলো নিয়ে মানুষটি বেশি বেশি বলে গিয়েছেন, কাজ করেছেন। মতবাদের বিষয় নিয়ে মানুষকে দূরে ঠেলে না দিয়ে কিভাবে কাছে টেনে বোঝাতে হয় সেই উদাহরণ রেখে গিয়েছেন আমাদের সামনে। দেশের যেকোনো অঞ্চলে কাজ করার জন্য মানুষটি ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ। বিভিন্ন জেলায়, প্রত্যন্ত অঞ্চলে অহরহ ছুটে বেড়িয়েছেন মানুষকে দ্বীন ইসলামের সঠিক দাওয়াত পৌঁছে দিতে।

জাহিলিয়াতকে তুচ্ছজ্ঞান করে ইসলামকে সিরিয়াসলি নিয়ে দ্বীনের পথে আসা অনেক ভাইয়ের কাছেই কথা বলে জেনেছি- যিনিই এই মানুষটার বই-লেকচার যতবার পড়েছেন-শুনেছেন ততবারই মুগ্ধ হয়েছেন। কাউকে দূরে ঠেলে দিয়ে নয়, আমাদের কাজ সকল ইসলামিক ব্যক্তিত্বকে ভালোবাসা। কারও মধ্যে সামান্য ভুল যদি থেকে থাকে তার মানে এই নয় যে ঐ ব্যক্তির সব কাজকে আমরা তুচ্ছ বানিয়ে নেব। ব্যক্তিটাকে ধুলিস্যাত করে দিব। এই কথাগুলোই শিখিয়ে গেছেন তিনি। ঐক্য বলতে অনেকেই যখন নিজের মতের সাথে অন্যের একমত হওয়াই বুঝতে চাইলেন, নিজে যা বোঝেন অন্যেরই তা বুঝতে হবে এই মানসিকতা যখন ধারণ করলেন, তখন ড: আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর এসে বোঝালেন ঐক্য মানে মতপার্থক্য উপড়ে ফেলা নয়, মতপার্থক্যগুলো সামাল দেওয়া। ইখতেলাফী বিষয়ের প্রশ্নে তাঁর দেওয়া উত্তরগুলোই বলে দেয় কীভাবে আমরা একে অন্যকে বুঝতে পারি। পরস্পরকে কাছে টানতে পারি।

IIRT Arabic Intensive

শাইখের পুরো নাম ডঃ খোন্দকার আ. ন. ম. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর। তিনি ছিলেন একাধারে ইসলামী চিন্তাবিদ, টিভি আলোচক, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিস বিভাগের অধ্যাপক, বিশিষ্ট ‘আলেমে দ্বীন, গবেষক ও লেখক। তিনি পিস টিভি, ইসলামিক টিভি, এটিএন ও এনটিভি, চ্যানেল নাইন সহ বিভিন্ন টিভিতে ইসলামের সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেন। বিদেশী টেলিভিশন চ্যানেল আইটিভি ইউএস-এর উপদেষ্টা ছিলেন। এছাড়াও তিনি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সিম্পোজিয়াম, সেমিনার, মসজিদের খুতবায় ও টিভি আলোচনায় খ্রিস্টান মিশনারিদের দ্বারা প্রতারিত হয়ে দেশের সহজ-সরল মুসলমানদের ধর্মান্তরিত হওয়ার বিষয়গুলো আলোচনা করে জনসচেতনতা তৈরি করে আসছিলেন। বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে বিস্তারিত উত্তর প্রদানে পারদর্শীতাই তাঁর জ্ঞানের গভীরতা প্রমাণ করে।

এই বরেণ্য ব্যক্তিত্বের জন্ম হয় ১৯৬১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহের ধোপাঘাট গোবিন্দপুর গ্রামে। তার পিতা খোন্দকার আনওয়ারুজ্জামান ও মা বেগম লুৎফুন্নাহার। তিনি ১৯৭৩ সালে ঢাকা সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা থেকে দাখিল পাশ করেন। এরপর একই প্রতিষ্ঠান থেকে ১৯৭৫ সালে আলিম এবং ১৯৭৭ সালে ফাজিল ও ১৯৭৯ সালে হাদিস বিভাগ থেকে কামিল পাস করার উচ্চতর শিক্ষার জন্যে সৌদি আরব গমন করেন। রিয়াদে অবস্থিত ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাঊদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৮৬ সালে অনার্স, ১৯৯২ সালে মাস্টার্স ও ১৯৯৮ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে দেওয়া ডঃ আব্দুস সালাম আযাদীর ভাষ্যমতে, “বিদেশিদের মাঝে তিনি ইসলামের দাওয়াত ছড়াতেন। ইংরেজিতে খুব ভালো ছিলেন বলে আমেরিকান সেনা ছাউনিতে তিনি ইসলাম পৌঁছানোর কাজ করতেন। … ড. জগলুল নাজ্জার ও জাহাঙ্গীর ভাইদের দাওয়াতে তিন শতাধিক সৈন্য মুসলিম হয়ে যায়।”

ছাত্র জীবনে তুখোড় মেধাবী হিসেবে পরিচত ছিলেন তিনি। রিয়াদের মুহাম্মাদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি বর্তমান সৌদি বাদশা ও তৎকালীন রিয়াদের গভর্নর সালমান বিন আব্দুল আজিজের হাত থেকে পর পর দু’বার সেরা ছাত্রের পুরস্কার গ্রহণ করেন। এ সময় তিনি শায়খ আব্দুল্লাহ বিন বায, বিন উসায়মিন, আল জিবরিন ও আল ফাউজানের মতো বিশ্ববরেণ্য স্কলারদের সান্নিধ্য লাভে সক্ষম হন। লেখাপড়ার পাশাপাশি ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত তিনি উত্তর রিয়াদ ইসলামি সেন্টারে দাঈ ও অনুবাদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

লেখাপড়া শেষ করে ১৯৯৮ সালে কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের আল হাদিস অ্যান্ড ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের লেকচারার হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৯৯ সালে তিনি ইন্দোনেশিয়া থেকে ইসলামি উন্নয়ন ও আরবি ভাষা বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। ২০০৯ সালে তিনি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগে প্রফেসর পদে উন্নীত হন। কর্মজীবনে তিনি ঢাকার দারুস সালাম মাদ্রাসায় খণ্ডকালীন শায়খুল হাদিস হিসেবেও পাঠদান করতেন। বাংলা ইংরেজি ও আরবি ভাষায় সমাজ সংস্কার, গবেষণা ও শিক্ষামূলক প্রায় অর্ধশত গ্রন্থ গ্রন্থ রচনা করেছেন তিনি। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ইংরেজি ভাষায় A Woman From Desert (1995), Guidance For Fasting Muslims (1997), A Summary of Three Fundamentals of Islam (1997); আরবি ভাষায় লিখিত আদাবুল হাদিস’ (২০০৭); বাংলায় উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো হাদিসের নামে জালিয়াতি, এহইয়াউস সুনান ও কুর’আন-সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকীদা, রাহে বেলায়েত, রোযাইসলামের তিন মূলনীতিএকজন জাপানি নারীর দৃষ্টিতে হিজাব, কোরআন সুন্নাহর আলোকে পোশাক ও সাজসজ্জা সহ অনেক মুল্যবান গ্রন্থ। তাছাড়া তিনি মুসনাদে আহমাদ, ইমাম আবু হানিফা রাহঃ রচিতআল-ফিকহুল আকবার এবং ইযহারুল হকসহ বেশ কয়েকটি গ্রন্থ অনুবাদ করেছেন।

ড. আবদুল্লাহ ব্যক্তিজীবনে ছিলেন অত্যন্ত সদালাপী, যুগ সচেতন এবং উম্মাহর ঐক্যবিধানে তৎপর একজন মানুষ। “তাঁর কাছেই শিখেছি ভিন্নমতের কাউকে কীভাবে শ্রদ্ধা করতে হয়। বিনয়ের এক অমর শিক্ষক শায়েখ (রা.)কে দেখেই অনুভব করেছি প্রকৃত আলেমের চরিত্র!” ডঃ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহিমাহুল্লাহ সম্পর্কে এভাবেই স্মৃতিচারণ করে কথাগুলো বলছিলেন শায়খ হাসান জামিল (হফেজাহুল্লাহ)। তার তিন মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। ছেলে ওসামা খন্দকার সৌদি আরবের রিয়াদ ইউনিভার্সিটিতে অধ্যায়নরত।

ঝিনাইদহ শহরের গোবিন্দপুরে আল ফারুক একাডেমি ও আস সুন্নাহ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেন বরেণ্য এই ইসলামী ব্যক্তিত্ব। সেখানে ছেলেমেয়েদের হেফজখানা প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব হিসেবে কাজ করেছেন শিক্ষা ও ঝিনাইদহের চ্যারিটি ফাউন্ডেশনে, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটের। আমৃত্যু তিনি ঝিনাইদহ জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

শাইখের কিছু কথা উল্লেখ না করে পারছি না। একটি সাক্ষাৎকারে শাইখ দাওয়াতের ক্ষেত্রে বলছিলেন-

❝দা’ওয়াতের ক্ষেত্রে একটা হলো “প্রায়োরিটি নির্ধারণ” – কোন বিষয়টার দা’ওয়াত আগে দেবো? – এটা আমরা ভুলে যাচ্ছি, বা ভুল করছি। এজন্য আমাদের ওয়াজ-মাহফিলে অগণিত দা’ওয়াত হচ্ছে, কিন্তু ঈমান, তাওহীদ, শির্ক, বান্দার হক – এ বিষয়গুলো দা’ওয়াতে আসছে না। মানুষের সেবা এটাও …

অথচ, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম) এর নববী দা’ওয়াতের – নবীওয়ালা দা’ওয়াতের মূল অংশ ছিল কিন্তু এগুলো। দ্বিতীয়ত, যেটা বলছিলাম সেটা হলো – “ভাষা” – দা’ওয়াতের পদ্ধতি। আমরা যত কাজ করছি রাজনীতি বলেন, মাদ্রাসা বলেন, ওয়াজ-মাহফিল বলেন, কাফেলার দা’ওয়াত বলেন, সবাই আমরা দা’ওয়াত করছি। অর্থাৎ, নিজের জীবনে দ্বীন প্রতিষ্ঠার পরে অন্যদেরকে জীবনে দ্বীন প্রতিষ্ঠার করতে আহ্বান করছি। এ আহ্বানকারীর সিফাত কী হবে? – যাকে ডাকছি তাকে ভালোবাসা। … মক্কায় দা’ওয়াত দিতে দিচ্ছে না। তাঁর চাচা মারা গিয়েছেন। অত্যাচার! দৌহিক অত্যাচার … তায়েফে গেলেন। সারা দেহ রক্তাক্ত করে ছেড়েছে। তায়েফে অত্যাচার, মক্কায় অত্যাচার। ফিরে আসছেন মক্কার পথে, কোন সহায় নেই! জিবরীল (আলায়হিস আলাম) পাহাড়ে ফেরেশতা নিয়ে চলে এসেছেন – “ইয়া রসূলাল্লাহ, আপনি অনুমতি দিলে পাহাড় উল্টিয়ে দিয়ে জনপদ ধ্বংস করে দেয়া হবে …”

চিন্তা করেন, আমার যদি এ রকম হতো, তাহলে – “আল্লাহ, এক্ষুণি দাও! বুঝুক! আমার গায়ে হাত দেয়া উচিত না।” অথচ, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম) কী বলেছেন? “নাহ, হতে পারে এরা কাফের হয়ে চলে যাবে, কিন্তু এদের বংশ, প্রজন্ম, পরের প্রজন্ম কেউ হয়তো আল্লাহর ইবাদত করবে। তাওহীদ মানবে। কাজেই এদের ধ্বংস করার দরকার নেই।“(আল্লাহু আকবার) এই ভালোবাসা নিয়ে বিনম্রতার সাথে দা’ওয়াত দিতে হবে। আল্লাহ কুরআনুল কারীমে বলছেন, মূসা (আলায়হিস সালাম)-কে দা’ওয়াতের জন্য পাঠালেন ফিরাউনের কাছে। সবচেয়ে অন্যতম ভাল নবীদের শ্রেষ্ঠ একজনকে পাঠালেন সবচেয়ে বড় তাগুতের কাছে এবং বলেও দিলেন যে, এ তোমাদের কখনও ক্ষতি করতে পারবে না। কিন্তু … فَقُولَا لَهُ قَوْلًا لَّيِّنًا لَّعَلَّهُ يَتَذَكَّرُ أَوْ يَخْشَىٰ
“তাদেরকে নরম করে বলো, তোমার ভাষার বিনম্রতায় … হয়তো ভাল (অনুধাবন করবে ও ভীত) হয়ে যেতেও পারে।” [সূরা তাহা, আয়াত ৪৪]

তাহলে দুনিয়াতে আমরা যাকে দা’ওয়াত দিচ্ছি – রাজনৈতিক নেত্রীবৃন্দ, বিরোধি দল, অন্য দল, অন্য শত্রু – “অন্য মতের লোক” … তারা কি ফেরাউনের চেয়ে খারাপ? না, আমরা মূসার চেয়ে ভালো? তাহলে আমাদের কত বিনম্র হওয়ার দরকার? মূল সমস্যা হচ্ছে, আমরা আমাদের “ব্যবসার” চেতনাটা ভুলে গেছি। আমরা তো আল্লাহর সাথে ব্যবসা করছি। আমরা আল্লাহর সাথে ব্যবসা করছি যদি আমরা এই ব্যবসায় ওই ব্যক্তিকে হিদায়াত করতে পারি।

আল্লাহর সাথে ব্যবসা মানে কোন রকমে এই লোকটাকে আল্লাহর পথে আনলে আজীবন আমি এর কমিশনটা পাবো। কিয়ামত পর্যন্ত আল্লাহর কাছ থেকে সওয়াব পাবো …❞

গত ১১ই মে এক মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় তিনি আল্লাহর কাছে চলে গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজি’উন। (আমরা আল্লাহর কাছ থেকে এসেছি। আর তাঁর কাছেই ফিরে যাবো)। তাঁর মৃত্যুতে যেভাবে শোকের ছায়া নেমে এসেছে দেশজুড়ে তা কেবল এই অসাধারণ মানুষটির প্রতি সবার অকুণ্ঠ ভালোবাসা আর শ্রদ্ধাকেই জানান দেয়। আল্লাহ তার গুনাহ সমূহ মাফ করে দিক। তাঁকে শহীদের মর্যাদায় জান্নাতুল ফিরদাউস নসীব করুক। আমাদেরকে তাঁর জীবনী থেকে শিক্ষা নেওয়ার তাওফীক দান করুক।

মুসলিম মিডিয়া ব্লগের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা সহ তা সামনের দিকে এগিয়ে নিতে আপনার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। ব্লগ পরিচালনায় প্রতি মাসের খরচ বহনে আপনার সাহায্য আমাদের একান্ত কাম্য। বিস্তারিত জানতে এখানে ভিজিট করুন।

নিচে মন্তব্যের ঘরে আপনাদের মতামত জানান। ভালো লাগবে আপনাদের অভিপ্রায়গুলো জানতে পারলে। আর লেখা সম্পর্কিত কোন জিজ্ঞাসার উত্তর পেতে অবশ্যই "ওয়ার্ডপ্রেস থেকে কমেন্ট করুন"।

Loading Facebook Comments ...

4 Responses

  1. Naeem

    আল্লাহ সুবহানুতায়ালা শাইখকে জান্নাতের উচুস্থানের অধিবাসীদের মধ্যে অন্তভুর্ক্ত করে দিন। আমীন। তার অবদান ও অভাব আমরা দেরীতে হলেও বুঝব ইনশাআল্লাহ্‌।

    Reply
  2. তানভীর হাসান

    স্যারের মেয়ে তিনজন দুজন নয়

    Reply
  3. saleh

    স্যারকে নিয়ে লেখা৷

    bm.thereport24.com/article/156582/index.html

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published.

IIRT Arabic Intensive